Sunday, March 30, 2025

সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে ঈদ উদযাপন করলে কি হবে?

সৌদি আরবে আজ রবিবার ইদুল ফিতির। আর আমাদের দেশে ইনশাল্লাহ সোমবার ঈদ উদযাপিত  হবে। 

আজ বাংলাদেশের কিছু এলাকায় ঈদ উদযাপিত হবে। তারা সৌদি আরবের সাথে মিল করে রোযা শুরু করে আবার তাদের সাথে মিল করে ঈদ উদযাপন করেন। 


যদি ঐ সমস্থ গ্রামের লোকজন সৌদি আরবের সাথে মিল করে যদি রোযা শুরু করতে পারেন এবং ঈদ উদযাপন করতে পারেন তাহলে সেহেরি ও ইফতার তাদের সাথে মিল করে করেন না কেন? উনারা জানে তা  সম্ভব না। কারন সৌদি আরবের সাথে মিল করে ইফতার করতে গেলে এখন  বাংলাদেশ সময় রাত ৯ টার পরে ঈফতার করতে হবে। তাহলেতো আমাদের দেশে তখন মাগরিবের ওয়াক্ত শেষ হয়ে এশা ও তারাবিও শেষ হয়ে যাবে। 


আবার সৌদি আরবের সাথে মিল করে নামাজ পড়তে গেলে ঐ সমস্থ গ্রামের লোকদের প্রতিদিন নামাজ কাজা করতে হবে, একমাত্র এশা ছাড়া সব ওয়াক্তের নামাজ কাজা হয়ে যাবে। শুধু এই আংশিক অনুসরণ করে লাভ কি? অনুসরণ করলে সম্পুর্নই করেন। নামাজ, সেহরি, ইফতার সহ। 


অনেক স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী মনে করেন, যেইদিন ঊনারা ঈদ পালন করেন সেইদিন তাদের অনেক পাড়া প্রতিবেশী রোযা পালন করেন, এইজন্য তাদের বাড়িতে চাইলেও দাওয়াত খেতে  যেতেও পারেন না। আর স্বাভাবিকভাবে অধিকাংশ মানুষ পরের দিন বাংলাদেশের আকাশে চাঁদ দেখতে পাওয়ার পরে ঈদ পালন করেন আর তখন সৌদি আরবের সাথে মিল করে ঈদ পালনকারীরা তাদের পাড়া প্রতিবেশীদের বাড়িতে দাওয়াত খেতে যেতে পারেন। অর্থাৎ উনাদের দুই দিন ঈদ উৎসব করার সুযোগ সৃষ্টি হয়। কিন্তু তাদের এই পদ্ধতি যদি আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য না হয় তখন আখেরাতে তাদের কি অবস্থা হবে?  কারন তারা সবসময় রমজানের রোযা একটা কম করেন, সেইসাথে তারাবীও। অথচ রমজানের একটা ফরয রোযা কেঊ যদি ইচ্ছাকৃতভাবে ছেড়ে দেয় সারাজীবন রোযা রাখলেও তার সমান হবে না। 


যারা সৌদি আরবের সাথে মিল করে হাজার হাজার মাইল দূর থেকে রোযা শুরু আর বাদ দেন তাদের এই আমল শরিয়ত সম্মত হলে, ওয়াক্ত বা সময় বলে আর কিছু থাকে না  আর প্রায় ১৫০০ বছর যাবৎ হাজার হাজার আলেম ও ফকিহগন আমাদেরকে এই ধরনের কাজ থেকে দূরে থাকতেও নিষেধ করতে না। 


আল্লাহ সবাইকে হেদায়েত দান করুন। 


ধন্যবাদ! ভালো থাকুন, আবার কথা হবে। 

আল্লাহ হাফেজ।


Saturday, February 8, 2025

বগুড়ায়  সবজি উৎপাদনে রেকর্ড সৃষ্টি করেছে।বগুড়াকে উত্তর অঞ্চলের সবজি ভান্ডার বলা হয়।  বগুড়ায় উৎপাদিত সবজি এখন দেশের গন্ডি ছাড়িয়ে বিদেশেও রপ্তানি হচ্ছে। চলতি বছরে এই জেলা থেকে ২৮ হাজার মেট্রিক টন এর বেশি আলু, প্রায় ৩ হাজার মেট্রিক টন বাঁধাকপি,  প্রায় ২ হাজার ৬০০ মেট্রিক টন মিষ্টি কুমড়া, ২০০ মেট্রিক টন কাঁচা মরিচ এবং ২০০ মেট্রিক টন টমেটো রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে প্রায় ৩৫ হাজার মেট্রিক টন সবজি দেশের বাইরে যাচ্ছে।


মালয়েশিয়া, সৌদি আরব,দুবাই, বাহরাইন,সিঙ্গাপুর, নেপাল, শ্রীলঙ্কাসহ বিশ্বের ১১টি দেশে বগুড়ায় উৎপাদিত বিভিন্নরকম  সবজি রপ্তানি করা হচ্ছে।  আন্তর্জাতিক বাজারে বগুড়ার সবজির কদর বেশি থাকায় কৃষকরা আরও বেশি আগ্রহী হয়ে উঠছেন উন্নত মানের সবজি উৎপাদনে।


বিশেষ করে শিবগঞ্জ উপজেলার মাটি অত্যন্ত উর্বর হওয়ায় সেখানে সবজির উৎপাদন তুলনামূলকভাবে বেশি হয়। এ কারণে এ অঞ্চল থেকে প্রচুর পরিমাণে সবজি রপ্তানি করা সম্ভব হচ্ছে। কৃষকরা যদি আরও আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি ও সরকারি সহায়তা পান, তাহলে ভবিষ্যতে রপ্তানির পরিমাণ আরও বাড়বে বলে আশা করা যায়।সেই সাথে বাংলাদেশের অন্যান্য জেলাগুলোও সবজি উৎপাদনে এগিয়ে এসে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভুমিকা রাখবে। 



আজ এই পর্যন্তই


ভিডিওটিতে  লাইক দিন,share করুন এবং এইরকম ভিডিও আরো  পেতে চাইলে চ্যানেলটি subscribe করে আমাদের সাথে থাকুন। আল্লাহ হাফেজ।


বেক্সিমকো গ্রুপের আরও ৪ টি কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে

গাজীপুরের বেক্সিমকো ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কে আরও ৪ টি কারখানায় উৎপাদন বন্ধ ও কর্মচারী ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে বেক্সিমকো গ্রুপ।


 বন্ধ হওয়া চারটি কারখানা হলো বেক্সিমকো  ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের সুতা ইউনিট-২, টেক্সটাইল, ডেনিম ও নিটিং সেকশন।


৫ ফেব্রুয়ারি থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে।  এই কারখানার কর্মচারীরা আইন অনুসারে ক্ষতিপূরণ পাবেন এবং যতক্ষণ পর্যন্ত ছাঁটাই কার্যকর হয় ততক্ষণ তাদের ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিতি দেওয়ার দরকার নেই, নোটিশে এই কথা বলা হয়েছে।



  গাজীপুর শিল্প পুলিশ-২ এর সুপার এ কে এম জহিরুল ইসলাম বলেন, "বেক্সিমকো গ্রুপ তাদের আরও  ৪ টি কারখানা বন্ধ ঘোষণা করেছে। এর পরে  কোনো কর্মচারী কারখানায় আসেননি। এলাকায় শিল্প পুলিশের সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে।"//


 এসপি আরও বলেন, "এই কারখানার শ্রমিকরা কোনো নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখায়নি। তারা সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছে। তবে, তারা তাদের বকেয়া দ্রুত পরিশোধের জন্য অনুরোধ করেছে। 



 বিজ্ঞপ্তিতে, বেক্সিমকো কর্তৃপক্ষ বলেছে যে গ্রুপের শ্রম ও ব্যবসায়িক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করার জন্য সরকার  গঠিত উপদেষ্টা কমিটি ১৫ ডিসেম্বর একটি সভা করে, যেখানে বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ এর সংশ্লিষ্ট ধারাগুলি অনুসরণ করে চারটি কারখানায় ছাঁটাই ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।


 আজ এই পর্যন্তই


ভিডিওটিতে  লাইক দিন,share করুন এবং এইরকম ভিডিও আরো  পেতে চাইলে চ্যানেলটি subscribe করে আমাদের সাথে থাকুন। আল্লাহ হাফেজ।


Wednesday, February 5, 2025

ফরেনসিক অডিট হবে বেক্সিমকোর বিশাল ঋনের দুর্নীতির

 বেক্সিমকো গ্রুপের ঋণসংক্রান্ত অনিয়ম তদন্তের অংশ হিসেবে ফরেনসিক নিরীক্ষার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফরেনসিক অডিট হলো একটি প্রক্রিয়া,যার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক লেনদেন বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করে, কোনো প্রতিষ্ঠানের আর্থিক লেনদেনের বিস্তারিত  জালিয়াতি ও অনিয়ম শনাক্ত করা যায়।


সম্প্রতি নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত বেক্সিমকো ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, ফরেনসিক অডিটের পাশাপাশি বেক্সিমকো গ্রুপের রিসিভার পরিবর্তনেরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আগে কমিটির সভায় বেক্সিমকো ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের লে-অফকৃত ১৩টি শিল্প প্রতিষ্ঠান বন্ধ করার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। তবে, এই সিদ্ধান্তের ঘোষণা টেলিভিশন স্ক্রলে প্রচার না করায় এবং কমিটির সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন না করায় রিসিভারের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়। পরবর্তীতে, রিসিভারকে সাময়িক বরখাস্তসহ তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।//


অথচ হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী, সমস্যায় জর্জরিত বেক্সিমকো গ্রুপের পতন ঠেকানো এবং বিনিয়োগকারী, কর্মী ও ব্যাংকগুলোর স্বার্থ রক্ষায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মো. রুহুল আমিনকে গত ১০ ই নভেম্বর প্রতিষ্ঠানটির ‘তত্ত্বাবধায়ক’ বা রিসিভার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। 


সাম্প্রতিক বৈঠকে  সর্বসম্মতিতে  সিদ্ধান্ত হয় যে বেক্সিমকো ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের লে-অফকৃত শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো কর্তৃপক্ষ বন্ধ করবে। এছাড়া, শ্রমিকদের আইন অনুযায়ী পাওনাদি চলতি ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যেই পরিশোধ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে সরকার কর্তৃক প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করা হবে।


 আজ এই পর্যন্তই


ভিডিওটিতে  লাইক দিন,share করুন এবং এইরকম ভিডিও আরো  পেতে চাইলে চ্যানেলটি subscribe করে আমাদের সাথে থাকুন। আল্লাহ হাফেজ।





Thursday, January 30, 2025

বেক্সিমকোর শ্রমিকের সংখ্যা আসলে কত?সংখ্যাটি কি গল্প?

গত বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন জানিয়েছেন, প্রাথমিক তদন্তে বেক্সিমকোর ৪০ হাজার শ্রমিকের যে তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছিল, তার প্রায় ৪০ শতাংশের কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।


তিনি বলেন, বেক্সিমকোতে ৪০ হাজার শ্রমিক থাকার কথা বলা হলেও প্রাথমিক তদন্তে আমরা দেখতে পেয়েছি যে, এর প্রায় ৪০ শতাংশ শ্রমিকের কোনো অস্তিত্ব নেই। অনেক তথ্য উদ্দেশ্যমূলকভাবে তৈরি করা হচ্ছে, যা অপ্রয়োজনীয় উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে।আসলে আমরা যারা বেক্সিমকোর ব্যপারে জানিনা, তারা দূর থেকেই শুনে আসছি, যে কেউ বলছে ৮০,০০০  শ্রমিক, কেউ বলে ৭০,০০০ আবার কেউ বলে ৬০,০০০, ইদানীং বলা হচ্ছে ৪০,০০০। বানিজ্য উপদেষ্টার কথা মতো ৪০,০০০ এর ৪০% যদি না থেকে থাকে, তাহলে বেক্সিমকোর মোট শ্রমিকের সংখ্যা ১৬,০০০ এর ও কম। আসলে এতদিন অতিরঞ্জিত করেই বলা হচ্ছিল, এত এত শ্রমিক, আসলে বাস্তবে নাই। 



বাণিজ্য উপদেষ্টা আরও বলেন, "প্রথমে আমরা  জানতে পারি যে তাদের ২৩ হাজার কোটি টাকার দেনা রয়েছে। পরে দেখি, প্রকৃতপক্ষে এই দায়ের পরিমাণ প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা। শুরুতে ২৩ হাজার কোটি টাকা দেনা হিসাব করেই প্রতিষ্ঠানটি কোনোভাবে চালু করা যায় কিনা আমরা   চেষ্টা করেছিলাম। তিনি বলেন, সরকার অত্যন্ত দায়িত্বশীলভাবে পদক্ষেপ নিয়েছিল  প্রতিষ্ঠানটি চালু রাখার জন্য, কারণ এটি একটি জাতীয় সম্পদ। তবে দুঃখজনকভাবে, সরকার বেক্সিমকোর পক্ষ থেকে বিন্দুমাত্র সহযোগিতা পায়নি।


পরিস্থিতির বাধ্যবাধকতার কারণে সরকারকে বেক্সিমকোতে প্রশাসক নিয়োগ করতে হয়। কিন্তু প্রশাসককে কোনো ধরনের সহায়তা করা হয়নি। বরং জানানো হয়েছে যে, আইনজীবীর নিষেধাজ্ঞার কারণে কোনো তথ্য শেয়ার করা যাবে না।"



আজ এই পর্যন্তই


ভিডিওটিতে  লাইক দিন,share করুন এবং এইরকম ভিডিও আরো  পেতে চাইলে চ্যানেলটি subscribe করে আমাদের সাথে থাকুন। আল্লাহ হাফেজ।


Tuesday, January 28, 2025

বেক্সিমকো শ্রমিকদের সমস্ত বেতন ভাতা ফেব্রুয়ারির মধ্যে পরিশোধ করা হবে

আজ মঙ্গলবার  সচিবালয়ে বেক্সিমকো ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের শিল্পপ্রতিষ্ঠানসমূহের শ্রম ও ব্যবসায় পরিস্থিতি পর্যালোচনা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।  বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) সাখাওয়াত হোসেন বলেন বেক্সিমকো ফার্মা ও সাইনপুকুর সিরামিকের শেয়ার বিক্রি করে বেক্সিমকো শ্রমিকদের বকেয়া বেতন ভাতা পরিশোধ পরিশোধ করা হবে। 

উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেনের বক্তব্যে পরিষ্কারভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বেক্সিমকোর লে-অফ করা কর্মীদের বেতন পরিশোধে বড় অঙ্কের অর্থের প্রয়োজন যা  ৫৫০ থেকে ৬০০ কোটি টাকার মত  উল্লেখ করা হয়েছে। সম্পুর্ণ টাকা শেয়ার বিক্রি থেকে সংগ্রহ করা না গেলেও সরকার ফেব্রুয়ারির মধ্যে এই বেতন-ভাতা পরিশোধের ব্যাপারে  চেষ্টা করে যাচ্ছে। এটি প্রমাণ করে যে সরকার শ্রমিকদের অধিকার রক্ষায় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। //

উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেনের এই বক্তব্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি উল্লেখ করেছেন, বেক্সিমকো গ্রুপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ১২টি ব্যাংক থেকে বিপুল অঙ্কের অর্থাৎ  ২৮,৫৪৪ কোটি ১৪ লাখ টাকা ঋণ নিয়েছে।

এই ঋণ কীভাবে অনুমোদন এবং বিতরণ করা হয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, এই বিষয়ে তদন্ত করা হবে এবং জড়িত কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ছাড় দেওয়া হবে না।

তিনি আরও বলেন, এটি বাংলাদেশ ব্যাংকের এক বিলিয়ন ডলারের রিজার্ভ চুরির থেকেও বড় কেলেঙ্কারি। এর মাধ্যমে বোঝা যাচ্ছে, এই ঘটনা দেশের আর্থিক খাতের জন্য  একটি বড় চ্যালেঞ্জ এবং এর সুষ্ঠু তদন্ত এবং সমাধান অত্যন্ত জরুরি।

আজ এই পর্যন্তই

ভিডিওটিতে  লাইক দিন,share করুন এবং এইরকম ভিডিও আরো  পেতে চাইলে চ্যানেলটি subscribe করে আমাদের সাথে থাকুন। আল্লাহ হাফেজ।


সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে ঈদ উদযাপন করলে কি হবে?

সৌদি আরবে আজ রবিবার ইদুল ফিতির। আর আমাদের দেশে ইনশাল্লাহ সোমবার ঈদ উদযাপিত  হবে।  আজ বাংলাদেশের কিছু এলাকায় ঈদ উদযাপিত হবে। তারা সৌদি আরবের ...